قُلْ অর্থাৎ ‘বলুন’ বা ‘বল’ (পর্ব-৬)

আলম এম.আলম এম.৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৫১–১৮০ তম ঐশী অনুশাসন

‘قُلْ’ (বলুন) — হূদ, ইউসুফ, আর-রাদ, ইবরাহিম ও বনী ইসরাঈল (১৫১ থেকে ১৮০ তম ঐশী অনুশাসন)

ষষ্ঠ পর্বে সূরা হূদের সমাপনী থেকে শুরু করে ইউসুফ, আর-রাদ, ইবরাহিম, আল-হিজর, আন-নাহল এবং বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) পর্যন্ত ১৫১ থেকে ১৮০ নম্বর ঐশী অনুশাসন সংকলিত হয়েছে। নবীদের ধৈর্য, মহাজাগতিক নিদর্শন এবং নৈতিক শিষ্টাচার এখানে প্রতিভাত।

📋 পর্ব-৬-এর দ্রুত পাঠ সূচিপত্র (১৫১–১৮০)

মোট ৩০টি ঐশী নির্দেশনা

ক্রমিক

সূরা ও আয়াত

আরবি বাণী (قُلْ)

বাংলা অর্থ

১৫১

সূরা হূদ ১১:৩৫

أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰهُ ۖ قُلْ إِنِ ٱفْتَرَيْتُهُۥ فَعَلَىَّ إِجْرَامِى وَأَنَا۠ بَرِى...

অনুবাদ: তারা কি বলে যে, এ লোকই এ সব রচনা করেছে? বল, আমি যদি তা রচনা করে থাকি, তাহলে আমার অপরাধের দায়িত্ব আমার উপর। তোম...

১৫২

সূরা হূদ ১১:১২১

وَقُل لِّلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ ٱعْمَلُوا۟ عَلَىٰ مَكَانَتِكُمْ إِنَّا عَـٰمِلُونَ ١٢١

অনুবাদ: যারা ঈমান আনে না তাদেরকে বল, ‘তোমরা নিজেদের মত ও পথে থেকে কাজ করে যাও, আমরা (আমাদের) কাজ করছি।

১৫৩

সূরা ইউসুফ ১২:১০৮

قُلْ هَـٰذِهِۦ سَبِيلِىٓ أَدْعُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ ۚ عَلَىٰ بَصِيرَةٍ أَنَا۠ وَمَنِ ٱتَّبَع...

অনুবাদ: বল, ‘এটাই আমার পথ, আল্লাহর পথে আহবান জানাচ্ছি, আমি ও আমার অনুসারীরা, স্পষ্ট জ্ঞানের মাধ্যমে। আল্লাহ মহান, পবিত...

১৫৪

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (১ম ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِه...

অনুবাদ: বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের ক...

১৫৫

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (২য় ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِه...

অনুবাদ: বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের ক...

১৫৬

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (৩য় ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِه...

অনুবাদ: বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের ক...

১৫৭

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (৪র্থ ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِه...

অনুবাদ: বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের ক...

১৫৮

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (৫ম ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِه...

অনুবাদ: বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের ক...

১৫৯

সূরা আর-রাদ ১৩:২৭

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْلَآ أُنزِلَ عَلَيْهِ ءَايَةٌۭ مِّن رَّبِّهِۦ ۗ قُلْ إِن...

অনুবাদ: সত্য প্রত্যাখ্যানকারীরা বলে, ‘তার কাছে তার প্রতিপালকের নিকট হতে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?’ বল, ‘আল্লাহ যা...

১৬০

সূরা আর-রাদ ১৩:৩০

كَذَٰلِكَ أَرْسَلْنَـٰكَ فِىٓ أُمَّةٍۢ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهَآ أُمَمٌۭ لِّتَتْلُوَا۟ عَ...

অনুবাদ: (পূর্বে যেমন পাঠিয়েছিলাম) এভাবেই আমি তোমাকে এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছি যার পূর্বে অনেক সম্প্রদায় গত হয়ে...

১৬১

সূরা আর-রাদ ১৩:৩৩

أَفَمَنْ هُوَ قَآئِمٌ عَلَىٰ كُلِّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ ۗ وَجَعَلُوا۟ لِلَّهِ شُرَكَآء...

অনুবাদ: প্রত্যেক প্রাণীর উপার্জনের প্রতি যিনি দৃষ্টি রাখেন (তিনি কি তাদের অক্ষম ইলাহদের মত?) অথচ তারা আল্লাহর শরীক নির...

১৬২

সূরা আর-রাদ ১৩:৩৬

وَٱلَّذِينَ ءَاتَيْنَـٰهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ يَفْرَحُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ ۖ وَمِنَ ٱلْأَ...

অনুবাদ: আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছিলাম তারা তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে উৎফুল্ল, কিন্তু কতক দল তার কোন কোন কথা মানে...

১৬৩

সূরা আর-রাদ ১৩:৪৩

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَسْتَ مُرْسَلًۭا ۚ قُلْ كَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًۢا بَيْنِى...

অনুবাদ: কাফিররা বলে, ‘তুমি আল্লাহর প্রেরিত নও।’ বল, ‘আমার ও তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং যাদের কিতাবে...

১৬৪

সূরা ইবরাহিম ১৪:৩০

وَجَعَلُوا۟ لِلَّهِ أَندَادًۭا لِّيُضِلُّوا۟ عَن سَبِيلِهِۦ ۗ قُلْ تَمَتَّعُوا۟ فَإِنَّ مَ...

অনুবাদ: আর তারা (অন্যকে) আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করে তাঁর পথ থেকে বিপথগামী করার উদ্দেশ্যে। বল, ‘ভোগ করে নাও, শেষ পর্যন্ত...

১৬৫

সূরা ইবরাহিম ১৪:৩১

قُل لِّعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يُقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقْنَـ...

অনুবাদ: আমার বান্দাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে বল নামায প্রতিষ্ঠা করতে আর যে জীবিকা আমি তাদেরকে দিয়েছি তাত্থেকে...

১৬৬

সূরা আল-হিজর ১৫:৮৯

وَقُلْ إِنِّىٓ أَنَا ٱلنَّذِيرُ ٱلْمُبِينُ ٨٩

অনুবাদ: আর বলে দাও, ‘আমি তো স্পষ্ট ভাষায় সতর্ককারী মাত্র।’

১৬৭

সূরা আন-নাহল ১৬:১০২

قُلْ نَزَّلَهُۥ رُوحُ ٱلْقُدُسِ مِن رَّبِّكَ بِٱلْحَقِّ لِيُثَبِّتَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ و...

অনুবাদ: বল, ‘এ কুরআন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে রুহুল কুদূস (জিবরীল) ঠিক ঠিকভাবে নাযিল করেছেন ঈমানদারদেরকে দৃঢ়ভাবে প্...

১৬৮

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:২৩

۞ وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّآ إِيَّاهُ وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ إِحْسَـٰنًا ۚ إ...

অনুবাদ: তোমার প্রতিপালক হুকুম জারি করেছেন যে, তিনি ছাড়া অন্য কারো ‘ইবাদাত করো না, আর পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো।...

১৬৯

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:২৪

وَٱخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ ٱلذُّلِّ مِنَ ٱلرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ٱرْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّي...

অনুবাদ: তাদের জন্য সদয়ভাবে নম্রতার বাহু প্রসারিত করে দাও আর বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া কর যেমনভাবে তারা আ...

১৭০

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:২৮

وَإِمَّا تُعْرِضَنَّ عَنْهُمُ ٱبْتِغَآءَ رَحْمَةٍۢ مِّن رَّبِّكَ تَرْجُوهَا فَقُل لَّهُمْ...

অনুবাদ: তুমি যদি তাদেরকে (অর্থাৎ অভাবী আত্মীয়, মিসকীন ও মুসাফিরদেরকে) পাশ কাটাতে চাও এজন্য যে, তুমি এখনও নিজের জন্য তো...

১৭১

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৪২

قُل لَّوْ كَانَ مَعَهُۥٓ ءَالِهَةٌۭ كَمَا يَقُولُونَ إِذًۭا لَّٱبْتَغَوْا۟ إِلَىٰ ذِى ٱلْع...

অনুবাদ: বল- তাঁর সঙ্গে যদি আরো ইলাহ থাকত যেমন তারা বলে, তাহলে তারা অবশ্যই আরশের মালিকের নিকট পৌঁছার জন্য পথের সন্ধান করত।

১৭২

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫০

۞ قُلْ كُونُوا۟ حِجَارَةً أَوْ حَدِيدًا ٥٠

অনুবাদ: বল, ‘তোমরা যদি পাথর কিংবা লোহাও হয়ে যাও,

১৭৩

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫১ (১ম ‘ক্বুল’)

أَوْ خَلْقًۭا مِّمَّا يَكْبُرُ فِى صُدُورِكُمْ ۚ فَسَيَقُولُونَ مَن يُعِيدُنَا ۖ قُلِ ٱلَّ...

অনুবাদ: অথবা এমন কিছু যা তোমাদের ধারণায় (জীবিত হওয়া) খুবই কঠিন (তবুও তোমাদেরকে উঠানো হবে)।’ তারা বলবে, ‘কে আছে এমন যে...

১৭৪

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫১ (২য় ‘ক্বুল’)

أَوْ خَلْقًۭا مِّمَّا يَكْبُرُ فِى صُدُورِكُمْ ۚ فَسَيَقُولُونَ مَن يُعِيدُنَا ۖ قُلِ ٱلَّ...

অনুবাদ: অথবা এমন কিছু যা তোমাদের ধারণায় (জীবিত হওয়া) খুবই কঠিন (তবুও তোমাদেরকে উঠানো হবে)।’ তারা বলবে, ‘কে আছে এমন যে...

১৭৫

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫৩

وَقُل لِّعِبَادِى يَقُولُوا۟ ٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ ۚ إِنَّ ٱلشَّيْطَـٰنَ يَنزَغُ بَيْنَهُم...

অনুবাদ: আমার বান্দাদেরকে বলতে বল এমন কথা যা খুবই উত্তম। শয়তান মানুষের মাঝে ঝগড়া-বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, শয়তান হল ম...

১৭৬

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫৬

قُلِ ٱدْعُوا۟ ٱلَّذِينَ زَعَمْتُم مِّن دُونِهِۦ فَلَا يَمْلِكُونَ كَشْفَ ٱلضُّرِّ عَنكُمْ...

অনুবাদ: বল, ‘তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে ইলাহ মনে কর তাদেরকে ডাক, (ডাকলেও দেখতে পাবে) তারা তোমাদের দুঃখ-বেদনা দূর করতে ব...

১৭৭

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮০

وَقُل رَّبِّ أَدْخِلْنِى مُدْخَلَ صِدْقٍۢ وَأَخْرِجْنِى مُخْرَجَ صِدْقٍۢ وَٱجْعَل لِّى مِن...

অনুবাদ: বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে (যেখানেই) প্রবেশ করাও, (সেটা কর) সত্য ও সম্মানের প্রবেশ, আর আমাকে (যেখান হতেই) ব...

১৭৮

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮১

وَقُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَزَهَقَ ٱلْبَـٰطِلُ ۚ إِنَّ ٱلْبَـٰطِلَ كَانَ زَهُوقًۭا ٨١

অনুবাদ: বল, ‘সত্য এসে গেছে আর মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা তো বিলুপ্ত হওয়ারই।’

১৭৯

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮৪

قُلْ كُلٌّۭ يَعْمَلُ عَلَىٰ شَاكِلَتِهِۦ فَرَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَنْ هُوَ أَهْدَىٰ سَبِيلًۭا ٨٤

অনুবাদ: বল, ‘প্রত্যেকেই স্বীয় রীতি-পন্থা অনুযায়ী কাজ করে। এখন তোমার রববই ভাল জানেন কে চলার পথে অধিকতর সঠিক পথে আছে।

১৮০

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮৫

وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلرُّوحِ ۖ قُلِ ٱلرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّى وَمَآ أُوتِيتُم مِّنَ ٱ...

অনুবাদ: তোমাকে তারা রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ হচ্ছে আমার প্রতিপালকের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত (একটি হুকুম)। এ সম্প...

১৫১

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা হূদ ১১:৩৫

أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰهُ ۖ قُلْ إِنِ ٱفْتَرَيْتُهُۥ فَعَلَىَّ إِجْرَامِى وَأَنَا۠ بَرِىٓءٌۭ مِّمَّا تُجْرِمُونَ ٣٥ ۝

অনুবাদ: “তারা কি বলে যে, এ লোকই এ সব রচনা করেছে? বল, আমি যদি তা রচনা করে থাকি, তাহলে আমার অপরাধের দায়িত্ব আমার উপর। তোমরা যে অপরাধ করেছ তাত্থেকে আমি মুক্ত।”

📌 তাদাব্বুর:

সত্য প্রচারকের দায়িত্ব সততার সাথে বার্তা পৌঁছে দেওয়া; বিরোধীদের অপবাদের দায়ভার তাদের নিজেদের কাঁধেই বর্তায়।

১৫২

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা হূদ ১১:১২১

وَقُل لِّلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ ٱعْمَلُوا۟ عَلَىٰ مَكَانَتِكُمْ إِنَّا عَـٰمِلُونَ ١٢١ ۝

অনুবাদ: “যারা ঈমান আনে না তাদেরকে বল, ‘তোমরা নিজেদের মত ও পথে থেকে কাজ করে যাও, আমরা (আমাদের) কাজ করছি।”

📌 তাদাব্বুর:

বিরোধীদের বিরোধিতার মুখে হতাশ না হয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ে নিজ সত্যের পথে অবিচল দায়িত্ব পালন করে যাওয়া।

১৫৩

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা ইউসুফ ১২:১০৮

قُلْ هَـٰذِهِۦ سَبِيلِىٓ أَدْعُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ ۚ عَلَىٰ بَصِيرَةٍ أَنَا۠ وَمَنِ ٱتَّبَعَنِى ۖ وَسُبْحَـٰنَ ٱللَّهِ وَمَآ أَنَا۠ مِنَ ٱلْمُشْرِكِينَ ١٠٨ ۝

অনুবাদ: “বল, ‘এটাই আমার পথ, আল্লাহর পথে আহবান জানাচ্ছি, আমি ও আমার অনুসারীরা, স্পষ্ট জ্ঞানের মাধ্যমে। আল্লাহ মহান, পবিত্র; আমি কক্ষনো মুশরিকদের মধ্যে শামিল হব না।”

📌 তাদাব্বুর:

স্পষ্ট প্রজ্ঞা, দলিল ও দূরদর্শিতার ভিত্তিতে মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করাই নববী দাওয়াতের চিরন্তন পথ।

১৫৪

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (১ম ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنفُسِهِمْ نَفْعًۭا وَلَا ضَرًّۭا ۚ قُلْ هَلْ يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِى ٱلظُّلُمَـٰتُ وَٱلنُّورُ ۗ أَمْ جَعَلُوا۟ لِلَّهِ شُرَكَآءَ خَلَقُوا۟ كَخَلْقِهِۦ فَتَشَـٰبَهَ ٱلْخَلْقُ عَلَيْهِمْ ۚ قُلِ ٱللَّهُ خَـٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ وَهُوَ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّـٰرُ ١٦ ۝

অনুবাদ: “বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী।”

📌 তাদাব্বুর:

একই আয়াতে পরপর ৫টি ‘ক্বুল’-এর প্রথমটি: মহাজাগতিক আত্মজিজ্ঞাসার সূচনা।

১৫৫

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (২য় ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنفُسِهِمْ نَفْعًۭا وَلَا ضَرًّۭا ۚ قُلْ هَلْ يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِى ٱلظُّلُمَـٰتُ وَٱلنُّورُ ۗ أَمْ جَعَلُوا۟ لِلَّهِ شُرَكَآءَ خَلَقُوا۟ كَخَلْقِهِۦ فَتَشَـٰبَهَ ٱلْخَلْقُ عَلَيْهِمْ ۚ قُلِ ٱللَّهُ خَـٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ وَهُوَ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّـٰرُ ١٦ ۝

অনুবাদ: “বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী।”

📌 তাদাব্বুর:

একই আয়াতে পরপর ৫টি ‘ক্বুল’-এর প্রথমটি: মহাজাগতিক আত্মজিজ্ঞাসার সূচনা।

১৫৬

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (৩য় ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنفُسِهِمْ نَفْعًۭا وَلَا ضَرًّۭا ۚ قُلْ هَلْ يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِى ٱلظُّلُمَـٰتُ وَٱلنُّورُ ۗ أَمْ جَعَلُوا۟ لِلَّهِ شُرَكَآءَ خَلَقُوا۟ كَخَلْقِهِۦ فَتَشَـٰبَهَ ٱلْخَلْقُ عَلَيْهِمْ ۚ قُلِ ٱللَّهُ خَـٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ وَهُوَ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّـٰرُ ١٦ ۝

অনুবাদ: “বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী।”

📌 তাদাব্বুর:

একই আয়াতে পরপর ৫টি ‘ক্বুল’-এর প্রথমটি: মহাজাগতিক আত্মজিজ্ঞাসার সূচনা।

১৫৭

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (৪র্থ ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنفُسِهِمْ نَفْعًۭا وَلَا ضَرًّۭا ۚ قُلْ هَلْ يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِى ٱلظُّلُمَـٰتُ وَٱلنُّورُ ۗ أَمْ جَعَلُوا۟ لِلَّهِ شُرَكَآءَ خَلَقُوا۟ كَخَلْقِهِۦ فَتَشَـٰبَهَ ٱلْخَلْقُ عَلَيْهِمْ ۚ قُلِ ٱللَّهُ خَـٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ وَهُوَ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّـٰرُ ١٦ ۝

অনুবাদ: “বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী।”

📌 তাদাব্বুর:

একই আয়াতে পরপর ৫টি ‘ক্বুল’-এর প্রথমটি: মহাজাগতিক আত্মজিজ্ঞাসার সূচনা।

১৫৮

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:১৬ (৫ম ‘ক্বুল’)

قُلْ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قُلِ ٱللَّهُ ۚ قُلْ أَفَٱتَّخَذْتُم مِّن دُونِهِۦٓ أَوْلِيَآءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنفُسِهِمْ نَفْعًۭا وَلَا ضَرًّۭا ۚ قُلْ هَلْ يَسْتَوِى ٱلْأَعْمَىٰ وَٱلْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِى ٱلظُّلُمَـٰتُ وَٱلنُّورُ ۗ أَمْ جَعَلُوا۟ لِلَّهِ شُرَكَآءَ خَلَقُوا۟ كَخَلْقِهِۦ فَتَشَـٰبَهَ ٱلْخَلْقُ عَلَيْهِمْ ۚ قُلِ ٱللَّهُ خَـٰلِقُ كُلِّ شَىْءٍۢ وَهُوَ ٱلْوَٰحِدُ ٱلْقَهَّـٰرُ ١٦ ۝

অনুবাদ: “বল, আকাশ ও যমীনের প্রতিপালক কে? বল, আল্লাহ। বল, তোমরা কি তাঁকে বাদ দিয়ে এমন অভিভাবক গ্রহণ করেছ যাদের নিজেদের কোন লাভ-লোকসান করার ক্ষমতা নেই। বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান? কিংবা অন্ধকার আর আলো কি সমান? কিংবা তারা কি আল্লাহর অংশীদার বানিয়েছে তাদেরকে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সমান মনে হয়েছে? বল, আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, তিনি এক, মহা প্রতাপশালী।”

📌 তাদাব্বুর:

একই আয়াতে পরপর ৫টি ‘ক্বুল’-এর প্রথমটি: মহাজাগতিক আত্মজিজ্ঞাসার সূচনা।

১৫৯

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:২৭

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْلَآ أُنزِلَ عَلَيْهِ ءَايَةٌۭ مِّن رَّبِّهِۦ ۗ قُلْ إِنَّ ٱللَّهَ يُضِلُّ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِىٓ إِلَيْهِ مَنْ أَنَابَ ٢٧ ۝

অনুবাদ: “সত্য প্রত্যাখ্যানকারীরা বলে, ‘তার কাছে তার প্রতিপালকের নিকট হতে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?’ বল, ‘আল্লাহ যাকে ইচ্ছে গুমরাহ করেন, আর যে তাঁর অভিমুখী তাকে সত্য পথে পরিচালিত করেন।’”

📌 তাদাব্বুর:

অলৌকিক চিহ্নের গোঁড়ামি বনাম বিনীত অনুতপ্ত হৃদয়ের জন্য হেদায়েতের ওয়াদা।

১৬০

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:৩০

كَذَٰلِكَ أَرْسَلْنَـٰكَ فِىٓ أُمَّةٍۢ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهَآ أُمَمٌۭ لِّتَتْلُوَا۟ عَلَيْهِمُ ٱلَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ وَهُمْ يَكْفُرُونَ بِٱلرَّحْمَـٰنِ ۚ قُلْ هُوَ رَبِّى لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ مَتَابِ ٣٠ ۝

অনুবাদ: “(পূর্বে যেমন পাঠিয়েছিলাম) এভাবেই আমি তোমাকে এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছি যার পূর্বে অনেক সম্প্রদায় গত হয়ে গেছে, যাতে তুমি তাদের কাছে তেলাওয়াত কর যা আমি তোমার প্রতি ওয়াহী করি, তবুও তারা দয়াময় আল্লাহকে অস্বীকার করে। বল, ‘তিনি আমার প্রতিপালক, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, আমি তাঁর উপরই নির্ভর করি আর তিনিই প্রত্যাবর্তনস্থল।’”

📌 তাদাব্বুর:

রহমানের অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে অটল একত্ববাদ ও পরম তাওয়াক্কুল।

১৬১

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:৩৩

أَفَمَنْ هُوَ قَآئِمٌ عَلَىٰ كُلِّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ ۗ وَجَعَلُوا۟ لِلَّهِ شُرَكَآءَ قُلْ سَمُّوهُمْ ۚ أَمْ تُنَبِّـُٔونَهُۥ بِمَا لَا يَعْلَمُ فِى ٱلْأَرْضِ أَم بِظَـٰهِرٍۢ مِّنَ ٱلْقَوْلِ ۗ بَلْ زُيِّنَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مَكْرُهُمْ وَصُدُّوا۟ عَنِ ٱلسَّبِيلِ ۗ وَمَن يُضْلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنْ هَادٍۢ ٣٣ ۝

অনুবাদ: “প্রত্যেক প্রাণীর উপার্জনের প্রতি যিনি দৃষ্টি রাখেন (তিনি কি তাদের অক্ষম ইলাহদের মত?) অথচ তারা আল্লাহর শরীক নির্দিষ্ট করে রেখেছে। বল, ‘তাদের নাম বল (যাদেরকে তোমরা আল্লাহর অংশীদার মনে কর), তোমরা কি পৃথিবীর এমন কোন সংবাদ তাঁকে দিতে চাও যা তিনি জানেন না। নাকি এগুলো কেবল কথার প্রদর্শনী? প্রকৃত ব্যাপার হল, কাফিরদের নিকট তাদের কলা কৌশলকে আকর্ষণীয় করে দেয়া হয়েছে আর তাদেরকে সৎ পথ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। আল্লাহ যাকে গুমরাহ করেন তাঁকে পথ দেখানোর কেউ নেই।”

📌 তাদাব্বুর:

প্রতিটি জীবের অন্তরের ভাব ও উপার্জনের প্রতি সদা সতর্ক দৃষ্টি রাখা আল্লাহর মহাশক্তির তুলনায় প্রতিমাগুলো নিতান্তই ক্ষমতাহীন।

১৬২

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:৩৬

وَٱلَّذِينَ ءَاتَيْنَـٰهُمُ ٱلْكِتَـٰبَ يَفْرَحُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ ۖ وَمِنَ ٱلْأَحْزَابِ مَن يُنكِرُ بَعْضَهُۥ ۚ قُلْ إِنَّمَآ أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ ٱللَّهَ وَلَآ أُشْرِكَ بِهِۦٓ ۚ إِلَيْهِ أَدْعُوا۟ وَإِلَيْهِ مَـَٔابِ ٣٦ ۝

অনুবাদ: “আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছিলাম তারা তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে উৎফুল্ল, কিন্তু কতক দল তার কোন কোন কথা মানে না। বল, ‘আমি আল্লাহর ‘ইবাদাত করার জন্য এবং তাঁর সাথে কোন কিছু শারীক না করার জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত হয়েছি, আমি তাঁর দিকেই আহবান জানাই, আর আমার প্রত্যাবর্তন তাঁর দিকেই।”

📌 তাদাব্বুর:

নবুওয়াতের একক উদ্দেশ্য: খাঁটি ইবাদত ও নিঃশর্ত শিরকমুক্ত জীবন।

১৬৩

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আর-রাদ ১৩:৪৩

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَسْتَ مُرْسَلًۭا ۚ قُلْ كَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًۢا بَيْنِى وَبَيْنَكُمْ وَمَنْ عِندَهُۥ عِلْمُ ٱلْكِتَـٰبِ ٤٣ ۝

অনুবাদ: “কাফিররা বলে, ‘তুমি আল্লাহর প্রেরিত নও।’ বল, ‘আমার ও তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং যাদের কিতাবের জ্ঞান আছে তারাও।’”

📌 তাদাব্বুর:

চূড়ান্ত সাক্ষ্য—মানবিক বিরোধিতার মুখে মহান আল্লাহ এবং সত্যের জ্ঞানসম্পন্নদের সাক্ষ্যই পরম নির্ভরতা।

১৬৪

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা ইবরাহিম ১৪:৩০

وَجَعَلُوا۟ لِلَّهِ أَندَادًۭا لِّيُضِلُّوا۟ عَن سَبِيلِهِۦ ۗ قُلْ تَمَتَّعُوا۟ فَإِنَّ مَصِيرَكُمْ إِلَى ٱلنَّارِ ٣٠ ۝

অনুবাদ: “আর তারা (অন্যকে) আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করে তাঁর পথ থেকে বিপথগামী করার উদ্দেশ্যে। বল, ‘ভোগ করে নাও, শেষ পর্যন্ত জাহান্নামেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে।”

📌 তাদাব্বুর:

পার্থিব ক্ষণস্থায়ী ভোগের অহংকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা।

১৬৫

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা ইবরাহিম ১৪:৩১

قُل لِّعِبَادِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ يُقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُنفِقُوا۟ مِمَّا رَزَقْنَـٰهُمْ سِرًّۭا وَعَلَانِيَةًۭ مِّن قَبْلِ أَن يَأْتِىَ يَوْمٌۭ لَّا بَيْعٌۭ فِيهِ وَلَا خِلَـٰلٌ ٣١ ۝

অনুবাদ: “আমার বান্দাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে বল নামায প্রতিষ্ঠা করতে আর যে জীবিকা আমি তাদেরকে দিয়েছি তাত্থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করতে- সেদিন আসার পূর্বে যেদিন না চলবে কোন কেনা-বেচা আর না কোন বন্ধুত্ব।”

📌 তাদাব্বুর:

পরকালের নিঃস্ব দিনের আগেই সালাত কায়েম ও উন্মুক্ত দানের নির্দেশ।

১৬৬

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আল-হিজর ১৫:৮৯

وَقُلْ إِنِّىٓ أَنَا ٱلنَّذِيرُ ٱلْمُبِينُ ٨٩ ۝

অনুবাদ: “আর বলে দাও, ‘আমি তো স্পষ্ট ভাষায় সতর্ককারী মাত্র।’”

📌 তাদাব্বুর:

স্পষ্ট ভাষায় পথভ্রষ্টতার কুফল ও পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দেওয়াই একজন দায়িত্বশীল প্রচারকের মূল কাজ।

১৬৭

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা আন-নাহল ১৬:১০২

قُلْ نَزَّلَهُۥ رُوحُ ٱلْقُدُسِ مِن رَّبِّكَ بِٱلْحَقِّ لِيُثَبِّتَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَهُدًۭى وَبُشْرَىٰ لِلْمُسْلِمِينَ ١٠٢ ۝

অনুবাদ: “বল, ‘এ কুরআন তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে রুহুল কুদূস (জিবরীল) ঠিক ঠিকভাবে নাযিল করেছেন ঈমানদারদেরকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য এবং মুসলিমদের হিদায়াত ও সুসংবাদ দানের জন্য।’”

📌 তাদাব্বুর:

জিবরীল (আ.)-এর মাধ্যমে অবতীর্ণ সত্যবাণী মুমিনের হৃদয়কে সত্যের ওপর সুদৃঢ় ও অবিচল রাখার ঐশী উৎস।

১৬৮

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:২৩

۞ وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّآ إِيَّاهُ وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ إِحْسَـٰنًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ ٱلْكِبَرَ أَحَدُهُمَآ أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَآ أُفٍّۢ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًۭا كَرِيمًۭا ٢٣ ۝

অনুবাদ: “তোমার প্রতিপালক হুকুম জারি করেছেন যে, তিনি ছাড়া অন্য কারো ‘ইবাদাত করো না, আর পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো। তাদের একজন বা তাদের উভয়ে যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে বিরক্তি বা অবজ্ঞাসূচক কথা বলো না, আর তাদেরকে ভৎর্সনা করো না। তাদের সাথে সম্মানজনক কথা বল।”

📌 তাদাব্বুর:

পিতা-মাতার সাথে বিনম্র ও শ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণ—বার্ধক্যে তাদের সাথে কোনো বিরক্তি বা রুঢ় আচরণ না করার কঠোর নির্দেশ।

১৬৯

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:২৪

وَٱخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ ٱلذُّلِّ مِنَ ٱلرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ٱرْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِى صَغِيرًۭا ٢٤ ۝

অনুবাদ: “তাদের জন্য সদয়ভাবে নম্রতার বাহু প্রসারিত করে দাও আর বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া কর যেমনভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন পালন করেছেন।’”

📌 তাদাব্বুর:

পিতা-মাতার বয়োবৃদ্ধ অবস্থায় তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, পরম মমতা ও রবের কাছে অন্তরঢালা দোয়ার অনুপম শিক্ষা।

১৭০

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:২৮

وَإِمَّا تُعْرِضَنَّ عَنْهُمُ ٱبْتِغَآءَ رَحْمَةٍۢ مِّن رَّبِّكَ تَرْجُوهَا فَقُل لَّهُمْ قَوْلًۭا مَّيْسُورًۭا ٢٨ ۝

অনুবাদ: “তুমি যদি তাদেরকে (অর্থাৎ অভাবী আত্মীয়, মিসকীন ও মুসাফিরদেরকে) পাশ কাটাতে চাও এজন্য যে, তুমি এখনও নিজের জন্য তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ লাভের সন্ধানে ব্যাপৃত যা তুমি প্রত্যাশা কর, এমতাবস্থায় তাদের সঙ্গে নম্রভাবে কথা বল।”

📌 তাদাব্বুর:

অভাবীকে কিছু দিতে না পারলেও মিষ্টি ও সহানুভূতিশীল বাক্যালাপ অন্তরের ঔদার্য প্রকাশ করে।

১৭১

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৪২

قُل لَّوْ كَانَ مَعَهُۥٓ ءَالِهَةٌۭ كَمَا يَقُولُونَ إِذًۭا لَّٱبْتَغَوْا۟ إِلَىٰ ذِى ٱلْعَرْشِ سَبِيلًۭا ٤٢ ۝

অনুবাদ: “বল- তাঁর সঙ্গে যদি আরো ইলাহ থাকত যেমন তারা বলে, তাহলে তারা অবশ্যই আরশের মালিকের নিকট পৌঁছার জন্য পথের সন্ধান করত।”

📌 তাদাব্বুর:

পবিত্র কুরআন — বাণী

۞ نَبِّئْ عِبَادِي أَنِّي أَنَا الْغَفُورُ الرَّحِيمُ (১৫:৪৯)-এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তী 'ক্বুল'। তাওহিদের মহাজাগতিক শৃঙ্খলা।

১৭২

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫০

۞ قُلْ كُونُوا۟ حِجَارَةً أَوْ حَدِيدًا ٥٠ ۝

অনুবাদ: “বল, ‘তোমরা যদি পাথর কিংবা লোহাও হয়ে যাও,”

📌 তাদাব্বুর:

পাথর বা লোহায় রূপান্তরিত হলেও মহান স্রষ্টার পক্ষে মানুষকে পুনরায় জীবিত করা মুহূর্তের ব্যাপার।

১৭৩

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫১ (১ম ‘ক্বুল’)

أَوْ خَلْقًۭا مِّمَّا يَكْبُرُ فِى صُدُورِكُمْ ۚ فَسَيَقُولُونَ مَن يُعِيدُنَا ۖ قُلِ ٱلَّذِى فَطَرَكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍۢ ۚ فَسَيُنْغِضُونَ إِلَيْكَ رُءُوسَهُمْ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هُوَ ۖ قُلْ عَسَىٰٓ أَن يَكُونَ قَرِيبًۭا ٥١ ۝

অনুবাদ: “অথবা এমন কিছু যা তোমাদের ধারণায় (জীবিত হওয়া) খুবই কঠিন (তবুও তোমাদেরকে উঠানো হবে)।’ তারা বলবে, ‘কে আছে এমন যে আমাদেরকে পুনরায় জীবনে ফিরিয়ে আনবে?’ বল, ‘তিনিই যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন।’ তখন তারা (ঠাট্টার ছলে) তোমার সামনে মাথা নাড়বে আর বলবে, ‘সেটা কখন ঘটবে?’ বল, ‘হতে পারে সেটা শীঘ্রই ঘটবে।’”

📌 তাদাব্বুর:

প্রথমবার যিনি শূন্য থেকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর পক্ষে দ্বিতীয়বার জীবিত করা নিশ্চিতভাবেই সহজ ও অনিবার্য।

১৭৪

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫১ (২য় ‘ক্বুল’)

أَوْ خَلْقًۭا مِّمَّا يَكْبُرُ فِى صُدُورِكُمْ ۚ فَسَيَقُولُونَ مَن يُعِيدُنَا ۖ قُلِ ٱلَّذِى فَطَرَكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍۢ ۚ فَسَيُنْغِضُونَ إِلَيْكَ رُءُوسَهُمْ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هُوَ ۖ قُلْ عَسَىٰٓ أَن يَكُونَ قَرِيبًۭا ٥١ ۝

অনুবাদ: “অথবা এমন কিছু যা তোমাদের ধারণায় (জীবিত হওয়া) খুবই কঠিন (তবুও তোমাদেরকে উঠানো হবে)।’ তারা বলবে, ‘কে আছে এমন যে আমাদেরকে পুনরায় জীবনে ফিরিয়ে আনবে?’ বল, ‘তিনিই যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন।’ তখন তারা (ঠাট্টার ছলে) তোমার সামনে মাথা নাড়বে আর বলবে, ‘সেটা কখন ঘটবে?’ বল, ‘হতে পারে সেটা শীঘ্রই ঘটবে।’”

📌 তাদাব্বুর:

প্রথমবার যিনি শূন্য থেকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর পক্ষে দ্বিতীয়বার জীবিত করা নিশ্চিতভাবেই সহজ ও অনিবার্য।

১৭৫

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫৩

وَقُل لِّعِبَادِى يَقُولُوا۟ ٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ ۚ إِنَّ ٱلشَّيْطَـٰنَ يَنزَغُ بَيْنَهُمْ ۚ إِنَّ ٱلشَّيْطَـٰنَ كَانَ لِلْإِنسَـٰنِ عَدُوًّۭا مُّبِينًۭا ٥٣ ۝

অনুবাদ: “আমার বান্দাদেরকে বলতে বল এমন কথা যা খুবই উত্তম। শয়তান মানুষের মাঝে ঝগড়া-বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, শয়তান হল মানুষের প্রকাশ্য দুশমন।”

📌 তাদাব্বুর:

উত্তম ও মার্জিত ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে শয়তানের উসকানি প্রতিহত করার অনুশাসন।

১৭৬

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৫৬

قُلِ ٱدْعُوا۟ ٱلَّذِينَ زَعَمْتُم مِّن دُونِهِۦ فَلَا يَمْلِكُونَ كَشْفَ ٱلضُّرِّ عَنكُمْ وَلَا تَحْوِيلًا ٥٦ ۝

অনুবাদ: “বল, ‘তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে ইলাহ মনে কর তাদেরকে ডাক, (ডাকলেও দেখতে পাবে) তারা তোমাদের দুঃখ-বেদনা দূর করতে বা বদলাতে সক্ষম নয়।”

📌 তাদাব্বুর:

বিপদ-আপদে মিথ্যা উপাস্য ও মধ্যস্থতাকারীদের সম্পূর্ণ অসহায়ত্ব।

১৭৭

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮০

وَقُل رَّبِّ أَدْخِلْنِى مُدْخَلَ صِدْقٍۢ وَأَخْرِجْنِى مُخْرَجَ صِدْقٍۢ وَٱجْعَل لِّى مِن لَّدُنكَ سُلْطَـٰنًۭا نَّصِيرًۭا ٨٠ ۝

অনুবাদ: “বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে (যেখানেই) প্রবেশ করাও, (সেটা কর) সত্য ও সম্মানের প্রবেশ, আর আমাকে (যেখান হতেই) বের কর, (সেটা কর) সত্য ও সম্মানের বহির্গমন, আর তোমার নিকট হতে আমাকে এক সাহায্যকারী শক্তি দান কর।”

📌 তাদাব্বুর:

যেকোনো নতুন সূচনা, হিজরত ও পদক্ষেপে সত্য ও সম্মানের কালজয়ী দোয়া।

১৭৮

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮১

وَقُلْ جَآءَ ٱلْحَقُّ وَزَهَقَ ٱلْبَـٰطِلُ ۚ إِنَّ ٱلْبَـٰطِلَ كَانَ زَهُوقًۭا ٨١ ۝

অনুবাদ: “বল, ‘সত্য এসে গেছে আর মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা তো বিলুপ্ত হওয়ারই।’”

📌 তাদাব্বুর:

মক্কা বিজয়ের ঐতিহাসিক ঐশী ঘোষণা: মিথ্যার অবশ্যম্ভাবী পতন।

১৭৯

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮৪

قُلْ كُلٌّۭ يَعْمَلُ عَلَىٰ شَاكِلَتِهِۦ فَرَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَنْ هُوَ أَهْدَىٰ سَبِيلًۭا ٨٤ ۝

অনুবাদ: “বল, ‘প্রত্যেকেই স্বীয় রীতি-পন্থা অনুযায়ী কাজ করে। এখন তোমার রববই ভাল জানেন কে চলার পথে অধিকতর সঠিক পথে আছে।”

📌 তাদাব্বুর:

মানুষের স্বভাবজাত কর্মপদ্ধতি ও রবের সর্বজ্ঞানে হেদায়েতের মূল্যায়ন।

১৮০

ঐশী নির্দেশনা (قُلْ)

সূরা বনী ইসরাঈল (আল-ইসরা) ১৭:৮৫

وَيَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلرُّوحِ ۖ قُلِ ٱلرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّى وَمَآ أُوتِيتُم مِّنَ ٱلْعِلْمِ إِلَّا قَلِيلًۭا ٨٥ ۝

অনুবাদ: “তোমাকে তারা রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ হচ্ছে আমার প্রতিপালকের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত (একটি হুকুম)। এ সম্পর্কে তোমাকে অতি সামান্য জ্ঞানই দেয়া হয়েছে।’”

📌 তাদাব্বুর:

মানবীয় জ্ঞান ও বিজ্ঞানের চরম সীমাবদ্ধতার প্রতি বিনীত স্মরণ।

✨

পর্ব-৬ এর সমাপ্তি ও পর্যালোচনা

পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব, পিতা-মাতার জন্য দোয়ার শিষ্টাচার, সৃষ্টিতত্ত্বের পুনরুত্থান এবং সত্যের পথে একাগ্রতার বাণী নিয়ে এই পর্ব সমাপ্ত হলো।

পরবর্তী পর্বে কুরআনের অবশিষ্ট ‘ক্বুল’ বাণীসমূহ ধারাবাহিকভাবে সংরক্ষিত রয়েছে।

পাঠক প্রতিক্রিয়া

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো? অনুভূতি প্রকাশ করুন

একটি ক্লিকেই লাইক, লাভ বা আপনার মতামত প্রদান করতে পারেন

মোট প্রতিক্রিয়া: 0
আপনার যেকোনো প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ বেনামী ও সুরক্ষিত
শেয়ার করুন:
FacebookWhatsAppXTelegram
পোস্ট ভিজিটর পরিসংখ্যানপাঠক এনগেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান
মোট পাঠক
০ জন
০ টি ভিজিট সেশন
মোট পঠন সময়
০ সেকেন্ড
পাঠকদের ব্যয়কৃত মোট সময়
গড় পঠন সময়
০ সেকেন্ড
প্রতি পাঠক গড়ে অবস্থান
পেজ ভিউ
০ বার
আর্টিকেল পড়ার সংখ্যা
আলম এম.

কুরআনের শব্দ ও সংখ্যা গভীর চিন্তার আহ্বান জানায়। আমি সেই চিহ্নগুলো অনুসরণ করি। আমি আলম, পাঠ্যের কাছে নম্র, বিশ্লেষণে কঠোর। লিখি নিজের বোধ থেকে; চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে।